করোনা থেকেও বিধ্বংসী এক মহামারী!! -ডাঃ রাজেশ চৌধুরী

0
1074
corona


করোনা মহামারী নিয়ে খুব বেশী আতংকিত হয়ে আছেন? ভয় হচ্ছে,- কখন কি হবে? রাতে ঘুম আসছে না?

হ্যাঁ,- অমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। দিন দিন করোনা মহামারী যেভাবে নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে,- আতংকিত হওয়ারই কথা। সূদুর চীনদেশ থেকে এক সামান্য অর্ধকোষী ভাইরাস,- যার হাত নেই, পা নেই, যে এত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র যে তাকে দেখাই যায়না,- সে কিনা আমাদের দেশে চলে আসল!! আমাদের কোন পারমাণবিক বোমা, মিসাইল টেকনোলজি, উন্নত চিকিৎসা বিজ্ঞান, অত্যাধুনিক মেডিসিন, অনিল আম্বানীর অফুরন্ত ব্যাংক ব্যালেঞ্চও তাকে রুখতে পারেনি। সকল শক্তি সেই অর্ধ কোষীর সামনে বিফল।

অথচ,- এই করোনা মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য WHO, ICMR বা পৃথিবীর তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীগন যে কয়েকটি উপায় বলছেন,- সেগুলি খুব কঠিন, বহুমূল্য, দুঃসাধ্য কোনকিছু নয়। সাধারণ কয়েকটি আচরন মাত্র!

হাত ধোয়ার অভ্যাস, নাক-মুখ ঢেকে রাখার অভ্যাস, যাকে তাকে স্পর্শ না করার অভ্যাস, যার তার কাপড়-গামছা ব্যাবহার না করার অভ্যাস, একে অপরের সাথে দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যাস, নিজের কোন সংক্রামক ব্যাধি হলে অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা রাখার অভ্যাস.. ইত্যাদি সামান্য, সহজ-সরল কয়েকটি উপায়। প্রতিনিয়ত খবরের কাগজে, মোবাইল রিং টোনে, বিজ্ঞাপনে দেখে-শুনে এইসব উপায়গুলি আমাদের সকলের মূখস্ত হয়ে গেছে।

কিন্তু মূখস্ত হলেও,- আমরা এই সামান্য কয়েকটি আচরন দৈনন্দিন জীবনে পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভুল করছি। তার ফলে করোনা মহামারী আজ আমাদের উপর ঝাঁকিয়ে বসেছে।

ভুল করছি,- কারন, – এই আচরনগুলি আমরা বহুদিন আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাপনে অনুশীলন করে করে তাতে সহজাত হয়ে উঠিনি। সদাচার পালনে আমরা সিদ্ধ নই। তাই এই মৃত্যুর আতংক!

মেডিকেল সায়েন্সের কোন গবেষণায় বা মেডিকেল এডুকেশনের কোন কারিকুলামমে এইসকল hygiene বা সদাচারকে এতটা গূরত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়নি,- যেমনটা আজকে হচ্ছে। সামান্য কিছু শারীরিক সদাচার যে আমাদের প্রান বাঁচানোর জন্য এত্ত বড় ভূমিকা নেবে,- তা পৃথিবীর কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানী বা গবেষক কল্পনা করেনি। আমরা জিন থেরাপি নিয়ে অনেক এগিয়ে গিয়েছি, রোবটিক সার্জারীতে হাত পাকিয়েছি, উন্নত এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করে বেশ নিশ্চিত হয়েছি,- কিন্তু সামান্য শারীরিক সদাচার কয়েকটি যে মানুষের জীবন রক্ষায় এতটা গুরত্বপূর্ণ তা ভাবিনি।

কেউ না ভাবলেও,- একশত বছর পূর্বে বাংলাদেশের এক অখ্যাত গ্রাম, হিমায়েতপুরে বসে পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্র কিন্তু ঠিকই ভেবেছিলেন,- এই সদাচারের ভূমিকা ও গূরত্ব নিয়ে। তিনি তাঁর বহু বানী, রচনা, কথোপকথনে এই সদাচার পালন অভ্যাসের জন্য চিৎকার করে বলেছেন। শুধু বলেই ক্ষান্ত হননি,- তিনি তাঁর দৈনন্দিন জীবন যাপনে এইসমস্ত সদাচারগুলি কাটায় কাটায় পালন করতেন৷ তাঁর সকল বংশধরেরা এবং তাঁকে যারা ভালবাসে, – তারাও তাই করেন।

যে আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন শব্দগুলির সাথে আমরা ইদানীং সবাই পরিচিত,- সেই আইসোলেশন তিনি সেই সময় কঠোরভাবে মেনে চলতেন। সামান্য সর্দি-জ্বর হলেই তিনি নিজেকে আইসোলেটেড করে নিতেন। যতদিন সম্পূর্ণ সুস্থ না হতেন,- জনসমক্ষে আসতেন না। তিনি তাঁর সন্তান ও শিষ্যদেরও বলতেন,- যেকোনো সংক্রামক ব্যাধি হলেই আমরা যেন নিজেদেরকে সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখি।

কিন্তু তখন আমরা তাঁর কথা শুনে,- সদাচারগুলি পালনের অনুশীলন করে করে আচরনে সহজাত করে তুলিনি। সদাচারে সিদ্ধ হয়ে উঠিনি৷ তাই আজ যখন,- প্রান রক্ষার তাগিতে সেই সদাচারগুলিই পালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ল,- তখন আমরা প্রতিনিয়ত ভুল করছি। আর, ভুল করছি বলেই,- করোনা মহামারী লাগামহীনভাবে আমাদের জীবনে ছড়িয়ে গেছে৷ এখন মৃত্যুর ঢল নেমেছে৷

যে সদাচারের কথা শ্রীশ্রীঠাকুর একশত বছর আগেই সবাইকে চিৎকার করে বলেছেন,- সেই একই ব্যাপার এখন WHO, ICMR ও নানা চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর সকলকে পালন করার জন্য চিৎকার করে বলছে। শুধু ঠাকুরের দীক্ষিতই নয়,- ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই সদাচার পালনে অভ্যাস করতে চেষ্টা করছে।

ঠিক একই ভাবে,- কিছুদিন পরেই WHO, ICMR এবং পৃথিবীর সকল বিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রনায়করা সকলকে সদদীক্ষা নেওয়ার জন্য চিৎকার করে বলবে। হ্যা!! আমি সজ্ঞানে এবং অত্যন্ত বাস্তবভিত্তিক কারনেই এই কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলছি। কোন ভাবের বশীভূত হয়ে বলছিনা।

কারন, করোনা মহামারীর চেয়েও অনেক বেশী বিধ্বংসী, অনেক মারনক্ষমতাসম্পন্ন এক মহামারী আমাদের দিকে অত্যন্ত চুপিসারে, সন্তর্পনে ধেয়ে আসছে৷ আমরা কেউই সেই মহামারী থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য সচেষ্ট নই।

করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে কোন দেশ হয়ত একদিন টীকা আবিষ্কার করবে,- আমরা সেই টীকা লাগিয়ে করোনা থেকে মুক্তি পেয়ে যাব। অথবা করোনা ভাইরাস তার স্বধর্মেই কিছুদিন পর অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়বে।

কিন্তু যে মহামারী আমাদের অলক্ষে ধেয়ে আসছে,- তার কোন টীকা নেই। কোন উন্নত টেকনোলজি, মেডিসিন, বিজ্ঞান তাকে রুখতে পারবেনা। সে করোনার চেয়েও অনেক বেশী ভয়ংকর!!

সেই মহামারী হল,- আত্মহত্যার মহামারী, নেশাগ্রস্ততার মহামারী, ব্যাভিচারের মহামারী, অপরাধ প্রবনতার মহামারী, দাম্পত্য বিচ্ছেদের মহামারী, মানসিক অবসাদগ্রস্ততার মহামারী।

হ্যা,- মহামারীই। ভাল করে নীচে উল্লেখিত কয়েকটি পরিসংখ্যান দেখলেই বুঝতে পারবেন,- কেন আমি আতংকিত!! কেন আমি এই মহামারী সম্পর্কে এতটা উদ্বিগ্ন!!

(১) আমাদের দেশে প্রতি ঘন্টায় একজন ছাত্র বা ছাত্রী আত্মহত্যা করছে।
হ্যা, ঠিকই পড়েছেন,- প্রতি ঘন্টায় একজন।

প্রতি এক লক্ষ ভারতীয় যুবক যুবতীদের মধ্যে ৩৫.৫ জনই আত্মহত্যায় হারিয়ে যাচ্ছে। ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবক যুবতীদের মধ্যেই এই আত্মহত্যার প্রবনতা সবচেয়ে বেশী৷
অর্থাৎ যারা দেশের ভবিষ্যৎ, যাদের মনে উদ্দীপনা, সাহস, কর্মপ্রানতা, আশা সবচেয়ে বেশী,- তারাই আত্মহত্যা করছে।

১৯৯০ থেকে ২০১৬,- এই সময়ের ব্যাবধানে আমাদের দেশে প্রতি বছর আত্মহত্যার সংখ্যা ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

(২) গত এক দশকে আমাদের দেশে নেশাগ্রস্ত লোকের সংখ্যা ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০১৭ সালে আমাদের দেশে মাত্র ড্রাগের নেশার ফলে ৫ লক্ষ পচাশি হাজার লোক মৃত্যু বরন করেছে৷

প্রতিদিন আমাদের দেশে প্রায় ৫৫ হাজার শিশু তামাক জাতীয় নেশায় আসক্ত হচ্ছে।
প্রতিদিন আমাদের দেশের নানা হাসপাতালে যত সংখ্যক মানুষ নেশার কারনে অসুস্থ হয়ে আসছে,- তাদের মধ্যে ৬৩.৫% মানুষের বয়স ম১৫ বছরের নীচে।
অর্থাৎ শিশুরা,- যারা দেশের ভবিষ্যৎ, – তারা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

(৩) ২০১০ সাল থেকে ২০১৪,- মাত্র এই পাঁচ বছরে আমাদের দেশে শিশুদের অপরাধ প্রবনতা ( জুভেনাইল ক্রাইম) ৪৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থাৎ যখন থেকে মোবাইল এবং ইন্টারনেট শিশুদের কাছে খুব সহজলভ্য হয়ে গেল,- তখন থেকে শিশুদের কোমল ও পবিত্র মন দূষিত হতে লাগল।

(৪) একইভাবে ব্যাভিচার লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৯ থেকে ২০১৪,- মাত্র এই পাঁচ বছরে আমাদের দেশে বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের কারনে গর্ভধারনের সংখ্যা ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে।এবং তাদের মধ্যে ৪৯% গর্ভবতী মায়েদের বয়সই ১৮ বছরের নীচে৷ তার পেছনেও মোবাইল ও ইন্টারনেটের বিশাল অবদান রয়েছে।

(৫) বিবাহবিচ্ছেদ,- দশ বৎসর আগে আমাদের দেশে প্রতি এক হাজার দম্পতির মধ্যে মাত্র একটি দম্পতি আদালতে যেত ডাইভোর্স করার জন্য। আজকের দিনে এই সংখ্যাটা হয়ে গেছে ১৩।

(৬) আমাদের দেশের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬.৫% জনই মানসিক অবসাদ রোগে ভুগছে।
WHO বলছে খুব শীঘ্রই সারা পৃথিবীতে প্রতি চারজনে একজন মানসিক অবসাদের রোগীতে পরিনত হবে।

এই পরিসংখ্যান গুলি নানা বিখ্যাত জার্নাল, পত্রিকা ইত্যাদি থেকে সংগ্রহ করা। সম্পূর্ণ বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকেই নেওয়া। সূত্র নিম্নে উল্লেখিত।

এই ভয়ানক মহামারীর সামনে করোনা তুচ্ছ। একদিন আমরা হয়ত করোনা মহামারী থেকে মুক্তি পেয়ে যাব,- কিন্তু এই বিধ্বংসী মহামারী থেকে কিভাবে মুক্তি পাব? এই পরিসংখ্যান যে দিন দিন বেড়েই চলেছে!!

কে আটকাবে একে? বিশ্বের কোন রাষ্ট্রনায়ক, কোন বিজ্ঞানী, কোন চিকিৎসক, সমাজসেবী কি ভাবছেন একে নিয়ে? একটুও ভয় হচ্ছে না?

এর যে কোন ভ্যাকসিন নেই৷ কোন ঔষধ, টেকনোলজি, বিজ্ঞান,- একে থামাতে অক্ষম।

এই মহামারী থেকে বাঁচানোর জন্যই পরমপুরুষ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্র চিৎকার করে, কাতর সুরে বলতেন,- অন্ততঃ দশকোটি মানুষকে অতি শীঘ্র সদদীক্ষায় দীক্ষিত করে তাদেরকে যজন-যাজন-ইষ্টভৃতি-স্বস্ত্যয়নী-সদাচারে অভ্যস্ত করে তুলার জন্য৷ কিন্তু,- আমরা তাঁর আর্তনাদে সাড়া দিচ্ছিলাম না৷ তাই তিনি কমিয়ে সেই লক্ষকে সাত কোটি, – পরে তিন কোটিতে নামিয়ে আনেন।

যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়,-” ঠাকুর,- আপনি প্রথমে দশ কোটি, পরে সাত কোটি, – আবার কমিয়ে তিন কোটি দীক্ষার কথা বললেন। এমনভাবে কমাচ্ছেন কেন?”

শ্রীশ্রীঠাকুর উত্তরে জানালেন,-” দেখছি,- অন্তত কিছু লোককে যাতে বাঁচানো যায়।”

তিনি আমাদের এই ভয়ংকর ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জন্য রাত্রে ঘুমাতে পারতেন না৷ ভোর রাতে বসে বসে ফুঁফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদতেন।

কারন,- এই মরনপ্রবনতা থেকে বাঁচার একটাই রাস্তা। তাঁর দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে নিত্য অনুশীলনের মাধ্যমে যজন-যাজন-ইষ্টভৃতি তে সিদ্ধ হয়ে উঠা। তা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

হ্যা,- আর কোন উপায় নেই। এখন বুঝতে না পারলেও,- যেদিন বিপদ দরজায় এসে দাড়াবে তখন WHO বলুন, – আর যেই বলুন,- সারা পৃথিবীর মানুষকে বলতে বাধ্য হবে,- বাঁচতে হলে এক্ষুনি সদদীক্ষা নিয়ে অভ্যাস করুন। যেমনটা এখন সদাচারের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তখন অনেক দেরী হয়ে যাবে।

আমাদের রাজ্যে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে মুক্ত করতে সরকার কতকিছু করছে। কত আইনের কড়াকড়ি, থানা-পুলিশ-জেল-ছাপামাড়া!! কিন্তু লাভ হচ্ছে কই? যারা নেশায় অভ্যস্ত, – তারা ঠিক জোগাড় করে নিচ্ছে।

অথচ,- সৎসঙ্গের পতাকাতলে এসে কতশত-লক্ষ যুবক যুবতী এক দিব্য জীবন অতিবাহিত করছে। একেকটা উৎসবে এত এত যুবক দেখা যায়,- কারো মুখে বিড়ির গন্ধ নেই, মদের নেশা নেই। যে বয়সে ছেলেমেয়েরা উৎশৃংখল চলাফেরা করে অভ্যস্ত, ক্লাবে-রাস্তায়-গলিতে নেশা করে আড্ডা দেওয়ার কথা, বদমাসি করার কথা,- এমন লক্ষ লক্ষ যুবক সৎসঙ্গে এসে সাদা কাপড় পড়ে ঈশ্বরের গুনগান করছে, বাঁচা-বাড়ার কথা বলছে, ঠাকুরের প্রেমের কথা বলছে। তারা এখানে এসে নর্মালি ডিসিপ্লিনড হয়ে আছে। কেউ বাধ্য করেনি।
তেমনি কত কত দম্পতি অশান্তির আগুন ভুলে গিয়ে এক দিব্য পবিত্র, আনন্দময় জীবন যাপন করছে, কত কত শিশু ঠাকুরের ভাবধারায় ভাবিত হয়ে মা-বাবাকে শ্রদ্ধা ভালবাসায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, কত কত হতাশ জীবন এখানে এসে এক নতুন উদ্দীপনায় মেতে উঠেছে, কত অপরাধী আজ এখানে এসে নিজের ভুল পথ ছেড়ে ঠাকুর নিয়ে মেতে আছে!!

পৃথিবীর যত যত সমস্যা তার একমাত্র সমাধান শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের কাছেই রয়েছে। কেউ স্বীকার করুক,- আর না ই করুক,- সেই চরম বিপদের দিনে তিনিই একমাত্র বাঁচার উপায়,- তা সারা পৃথিবী মানতে একদিন বাধ্য হবে। সেদিন খুব দূরে নয়।

পরিসংখ্যান এর সূত্রাবলীঃ
(১) National crime records Bureau, 2015.
The Mind Foundation, 2012 statistics.
The week, 10th Dec,2018

(2) India Today, 26th June, 2019
 Childlineindia.com

(৩) Times of India, 26th February,2016.

(৪) ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত International Journal of Reproduction, Contraception, Obstetrics and Gynecology র এক Article ( page 942-946)

(৫) Ministry of Social Justice & Empowerment Govt of India

(৬) World Health Organization.

আরও পড়ুন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে